<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>Campus Mirror</title>
	<atom:link href="http://www.campusmirror.com/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://www.campusmirror.com</link>
	<description>Just another WordPress weblog</description>
	<lastBuildDate>Wed, 06 Jan 2010 02:06:15 +0000</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=2.8.6</generator>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
			<item>
		<title>সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিবির-ছাত্রলীগ পাল্টাপাল্টি হামলা, সংঘর্ষে আহত ২২</title>
		<link>http://www.campusmirror.com/top-news/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%9f/</link>
		<comments>http://www.campusmirror.com/top-news/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%9f/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 06 Jan 2010 02:06:15 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[Top News]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.campusmirror.com/?p=1097</guid>
		<description><![CDATA[<p>সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি) ক্যাম্পাস গতকাল মঙ্গলবার ইসলামী ছাত্রশিবির ও ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দুই সংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষে একজন শিক্ষকসহ ২২ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি&#8230;</p>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি) ক্যাম্পাস গতকাল মঙ্গলবার ইসলামী ছাত্রশিবির ও ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দুই সংগঠনের নেতা-কর্মীদের পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষে একজন শিক্ষকসহ ২২ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।<br />
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান, গতকাল সকালে ফরম পূরণ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের জারি করা নতুন একটি বিজ্ঞপ্তি দেখা নিয়ে ছাত্রলীগ ও শিবির সমর্থক কয়েকজন শিক্ষার্থীর মধ্যে বাগিবতণ্ডা হয়। এর জের ধরে সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন হলের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্স অনুষদের ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছাত্রলীগের কর্মী শিপুল রায়কে সহপাঠী শিবির কর্মীরা মারধর করেন। খবর পেয়ে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষ থেকে এম সাইফুর রহমান ও নতুন আবাসিক হলের দিকে রওনা হন। ওই আবাসিক হলগুলোর বাসিন্দা শিবির কর্মীরাও সংগঠিত হয়ে ছাত্রলীগের কর্মীদের মোকাবিলা করার প্রস্তুতি নেন।<br />
সংঘর্ষ ঠেকাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরসহ শিক্ষকেরা দুই পক্ষের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থান নিয়ে তাঁদের শান্ত করার চেষ্টা চালান। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চিমে বালুচর এলাকার তালাবদ্ধ ফটক টপকে ১৫-২০ জন বহিরাগত সশস্ত্র শিবির কর্মী ক্যাম্পাসে ঢুকে ছাত্রলীগের কর্মীদের ওপর হামলা চালান। বেলা ১১টা থেকে পৌনে ১২টা পর্যন্ত দুই পক্ষের মধ্যে হামলা, পাল্টাহামলা ও ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহসভাপতি মো. ফখরুদ্দিনকে শিবির কর্মীরা দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করেন। এ সময় তাঁকে উদ্ধার করতে গিয়ে শিবির কর্মীদের হামলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছাত্রলীগের কর্মী হুমায়ূন কবীর ওরফে আকাশ, ফারুক হোসেন, দীপন চন্দ্র, অপরূপ সাহা, সোহাগ রানা, মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম নাইম ও আল মামুনসহ ১৫ জন আহত হন। ছাত্রলীগের নেতা ফখরুদ্দিনসহ চারজনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।<br />
এ ঘটনার পর ক্যাম্পাসে অবস্থানরত ছাত্রলীগের কর্মীরা দা, রামদা, হকিস্টিক ও লাঠিসোটা নিয়ে শিবিরের বহিরাগত কর্মীদের ধাওয়া করেন। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে এলোপাতাড়ি ইটপাটকেল নিক্ষেপ চলে। ছাত্রলীগের কিছু কর্মী অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষককে মারধর করেন। খবর পেয়ে সিলেট কোতোয়ালি থানার একদল পুলিশ গিয়ে মাহদী হাসান নামে একজন বহিরাগত যুবককে আটক করে।<br />
ক্যাম্পাসে পুলিশ অবস্থান নেওয়ার পর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিবিরের সশস্ত্র কর্মীরা ক্যাম্পাস থেকে চলে যান। এ সময় ছাত্রলীগের ক্ষুব্ধ কর্মীরা শহীদ জিয়া আবাসিক হলে গিয়ে শিবিরের কর্মীদের ১২টি কক্ষের দরজা ভেঙে আসবাবপত্র তছনছ করেন। কয়েকটি কক্ষ থেকে কম্পিউটার, বিছানা ও বইপত্র বাইরে বের করে তাঁরা পুড়িয়ে ফেলেন। পুলিশ ও শিক্ষকেরা ছাত্রলীগের কর্মীদের শান্ত করেন।<br />
ঘটনা সম্পর্কে ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি তারিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘দুই শিক্ষার্থীর বাগিবতণ্ডার সূত্র ধরে আমাদের একজন কর্মীকে শিবিরের লোকজন মারধর করেন। এ ঘটনার ব্যাপারে খোঁজ নিতে গেলে শিবির বহিরাগতদের নিয়ে সশস্ত্র হামলা চালায়। ছাত্রলীগের কর্মীরা বহিরাগতদের ক্যাম্পাস ছাড়া করতে প্রতিরোধে নামলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।’<br />
ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাব্বির আহমদ দাবি করেন, ‘ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে একজন জ্যেষ্ঠ শিক্ষকসহ তাঁদের ১৩ জন কর্মীকে মারধর করেন। এতে ১৩ জন আহত হন। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে তাঁরা সংগঠিত হয়েছিলেন।’<br />
সাব্বির আহমদ তাঁর সংগঠনের আহত কর্মীদের নাম জানাননি। আহত ব্যক্তিরা কোথায় আছেন, তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র কি না, জানতে চাইলে তিনি কোনো জবাব দেননি।<br />
সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী জানান, ক্যাম্পাসে বহিরাগত প্রবেশ করায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একজন বহিরাগতকে আটক করে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রেখেছে। ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।<br />
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্স অনুষদের ১৫তম ব্যাচের অনার্স ফাইনাল পরীক্ষার ফরম পূরণ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি দেখা নিয়ে দুই শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়েছিল। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরে দুটি ছাত্রসংগঠন মারমুখী অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরে পুলিশ ও প্রশাসনের সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তিনি জানান, ঘটনা খতিয়ে দেখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বৈঠক ডাকা হয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.campusmirror.com/top-news/%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9f-%e0%a6%95%e0%a7%83%e0%a6%b7%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%9f/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>গণমুখি শব্দ জুড়লেই শিক্ষানীতি গণমুখি হবে না: গোল টেবিল বৈঠকে বাম নেতারা</title>
		<link>http://www.campusmirror.com/organization-news/%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a6%bf-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a7%9c%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7/</link>
		<comments>http://www.campusmirror.com/organization-news/%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a6%bf-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a7%9c%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 06 Jan 2010 01:52:35 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[Organization News]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.campusmirror.com/?p=1092</guid>
		<description><![CDATA[<p>দেশের শাসক শ্রেণী শিক্ষাকে বাণিজ্যিকীকরণ প্রচেষ্টায় ব্যস্ত। যাতে করে শ্রমিক, কৃষক, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তানরা শিক্ষা লাভ করতে না পারে। শুধু উচ্চবিত্তদের জন্যই শিক্ষার দ্বার উন্মুক্ত থাকবে। শিক্ষার মূল লক্ষ্য হিসাবে মনুষ্যত্ব অর্জনকে প্রধান্য না দিয়ে কেবল অর্থ উপার্জনের&#8230;</p>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>দেশের শাসক শ্রেণী শিক্ষাকে বাণিজ্যিকীকরণ প্রচেষ্টায় ব্যস্ত। যাতে করে শ্রমিক, কৃষক, মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তানরা শিক্ষা লাভ করতে না পারে। শুধু উচ্চবিত্তদের জন্যই শিক্ষার দ্বার উন্মুক্ত থাকবে। শিক্ষার মূল লক্ষ্য হিসাবে মনুষ্যত্ব অর্জনকে প্রধান্য না দিয়ে কেবল অর্থ উপার্জনের মাধ্যম হিসাবে মনে করা হয়েছে। একটি মাত্র গণমুখি শব্দ জুড়ে দিলেই শিক্ষানীতি গণমুখি হবে না। প্রকৃত অর্থে গণমুখি করে তোলার জন্য তার পণ্যকরণ রোধ করতে হবে। মঙ্গলবার প্রস্তাবিত শিক্ষানীতির সীমাবদ্ধতা ও ছাত্র আন্দোলনের সাফল্য শীর্ষক গোল টেবিল আলোচনায় এমনই সব কথা উঠে আসে বক্তাদের আলোচনায়।</p>
<p>বিকাল চারটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডাকসুর দ্বিতীয় তলার সেমিনার কক্ষে বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী ‘প্রস্তাবিত শিক্ষানীতির সীমাবদ্ধতা ও ছাত্র আন্দোলনের সাফল্য’ শীর্ষক গোল টেবিল বৈঠকের আয়োজন করে। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ছাত্র মৈত্রীর সহ-সভাপতি বাপ্পাদিত্য বসু।</p>
<p>ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি রফিকুল ইসলাম সুজনের সভাপতিত্বে গোল টেবিল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির পলিট ব্যুরো সদস্য নুর আহমদ বকুল, আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক নুহ-উল আলম লেলিন, শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটির সদস্য ড. সাদেকা হালিম, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মেজবাহ কামাল, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ (জাসদ) সভাপতি হোসাইন আহমেদ তফসীর, ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মানবেন্দ্র দেব, ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি কনক বড়ুয়া প্রমুখ।</p>
<p>গোল টেবিল বৈঠকে উপস্থিত বক্তারা শিক্ষানীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা করেন।  বক্তারা বলেন, অনুন্নত বিশ্বের দেশ হিসাবে বাংলাদেশে শিক্ষা সীমাহীন বৈষম্য, সামপ্রদায়িকীকরণ এবং বাণিজ্যিকীকরণের যাতাকলে পিষ্ট। এখানে টাকা যার শিক্ষা তার- এই নীতিই বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ১৯৭২ সাল থেকে বর্তমান সরকারের পূর্ব সময় পর্যন্ত কোন সরকারই একটি ধর্মনিরপেক্ষ, বৈষম্যহীন, একই ধারার সার্বজনীন শিক্ষা ব্যবস্থা প্রণনয়ন করতে পারেনি। বরং পূর্বের মতই শিক্ষার সামপ্রদায়িকীকরণ এবং বানিজ্যিকীকরণ অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ করেন।</p>
<p>তারা বলেন, দেশে এ পর্যন্ত  ৩টি শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়েছে। তবে প্রতিটির মাধ্যমে শিক্ষাকে মুষ্টিমেয় ব্যক্তির হাতে কুক্ষিগত করার চক্রান্ত করা হয়েছে।</p>
<p>তবে বক্তারা প্রস্তাবিত শিক্ষানীতির প্রশংসা করে বলেন, এই শিক্ষানীতিতে কৃষি , বৃত্তিমূলক, বিজ্ঞান শিক্ষা, তথ্য-প্রযুক্তি শিক্ষার ওপর জোর দেয়া হয়েছে। এছাড়া নারী শিক্ষা এবং ছেলে-মেয়ে অবাধ ও সমান প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।  তারা অবিলম্বে প্রস্তাবিত এই শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের দাবি জানান।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.campusmirror.com/organization-news/%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%96%e0%a6%bf-%e0%a6%b6%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%a6-%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a7%9c%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বছরজুড়ে বেপরোয়া ছাত্রলীগ : ৪ মেধাবী ছাত্র খুন : বন্ধ হয়েছে অর্ধশতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান</title>
		<link>http://www.campusmirror.com/top-news/%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a7%9c%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97/</link>
		<comments>http://www.campusmirror.com/top-news/%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a7%9c%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 06 Jan 2010 01:47:37 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[Campus News]]></category>
		<category><![CDATA[Top News]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.campusmirror.com/?p=1090</guid>
		<description><![CDATA[<p>ক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও অস্ত্রের ঝনঝনানিতে গত এক বছর সন্ত্রস্ত ও প্রকম্পিত ছিল দেশের বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দখলবাজি ও প্রতিহিংসায় উন্মত্ত হয়ে সরকারি দলের ছাত্র সংগঠন ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রতিপক্ষের ওপর। টেন্ডার ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে রক্তপাত গত ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। সংগঠনটির&#8230;</p>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>ক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও অস্ত্রের ঝনঝনানিতে গত এক বছর সন্ত্রস্ত ও প্রকম্পিত ছিল দেশের বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দখলবাজি ও প্রতিহিংসায় উন্মত্ত হয়ে সরকারি দলের ছাত্র সংগঠন ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রতিপক্ষের ওপর। টেন্ডার ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে রক্তপাত গত ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। সংগঠনটির অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থেকেছে ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও ৯টি মেডিকেল কলেজসহ অর্ধশতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রাণ হারিয়েছে চারজন মেধাবী ছাত্র। অত্যাধুনিক অস্ত্রসহ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ কর্মী সিরাজুল ইসলাম সুমনের ছবি ছিল ২০০৯ সালের অন্যতম আলোচিত ঘটনা।<br />
ছাত্রলীগের শাখা কমিটির ওপর কেন্দ্রীয় কমিটির, আবার কেন্দ্রীয় কমিটির ওপর আওয়ামী লীগের কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিল না। সংগঠনটির কর্মকাণ্ডে অসন্তুষ্ট হয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তবে তাতেও থামেনি মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির নেতাকর্মীদের উচ্ছৃঙ্খলতা। ভর্তি বাণিজ্যসহ নানা ইস্যুতে ক্যাম্পাসগুলোতে প্রতিনিয়তই সংগঠনটি হামলা, সংঘর্ষ, নির্যাতন, হত্যা-খুন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছে। গত ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত হলেও ২ বছর আগে মেয়াদ শেষ হওয়া ছাত্রলীগের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। এতে সংগঠনটি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।<br />
ছাত্রলীগের উচ্ছৃঙ্খলতায় উদ্বিগ্ন আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালের ৪ এপ্রিল জরুরি প্রেসিডিয়াম সভা আহ্বান করে এবং সভানেত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন। সভা থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িতদের হুশিয়ার করে দেয়া হয়। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের মুখপাত্র সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম পরের দিন উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘ছাত্রলীগ যদি ক্যাম্পাসগুলোতে সন্ত্রাস, টেন্ডার ও চাঁদাবাজিতে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে বিষয়টি নিয়ে সরকার বিব্রত।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলার সঙ্গে যে-ই জড়িত হবে, তাকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন।<br />
এক বছরে ৪ খুন : গত ৩০ মার্চ গভীর রাতে ছাত্রলীগের ঢাকা মেডিকেল কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আসাদকে একই সংগঠনের প্রতিপক্ষ গ্রুপ হত্যা করে। এর আগে গত ১৩ মার্চ ছাত্রলীগের হাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি শরীফুজ্জামান নোমানীকে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে ছাত্রলীগের উচ্ছৃঙ্খল কর্মীরা। ১০ মার্চ জামালপুরে শিবির নেতা হাফেজ রমজান আলী ও জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ছাত্রদল নেতা ইব্রাহীম রনিকে হত্যা করে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। মার্চের শেষ সপ্তাহে হাটহাজারী থানার সদর ইউনিয়ন ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক মির্জা শহিদুল হকের ডান হাত কেটে নেয়।<br />
ছাত্রলীগের উচ্ছৃংখলতায় বন্ধ হয় অধিকাংশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় : মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার প্রথম বছরে ছাত্রলীগের উচ্ছৃঙ্খল কর্মকাণ্ডে বড় বড় সব কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকে। বার বার ক্যাম্পাস বন্ধ হওয়ায় শিক্ষার্থীদের ঘাড়ে সেশনজটের চাপ বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।<br />
প্রতিপক্ষের ওপর হামলা ও হত্যা এবং ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষে ঢাকা, সলিমুল্লাহ, খুলনা, চট্টগ্রাম, বগুড়া, রাজশাহী ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ, রাজশাহী, জাহাঙ্গীরনগর ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ অর্ধশতাধিক কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন সময়ে অনির্দিষ্টকাল বন্ধ থেকেছে। প্রথম তিন মাসেই ছাত্রলীগের উচ্ছৃঙ্খলতায় বন্ধ হয় রাজশাহী সরকারি কলেজ, রাজশাহী নিউ গভর্নমেন্ট ডিগ্রি কলেজ, রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, রাজশাহী ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, খুলনা বিএল কলেজ, খুলনা পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট, সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, সিলেটের ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেটের ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও রাজধানীর মালিবাগের ঢাকা বিজ্ঞান কলেজ।<br />
৩১ মার্চ দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আসাদের মৃত্যুর ঘটনায় কলেজটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করা হয়। এর আগে গত ১৩ মার্চ ছাত্রলীগের হাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি শরীফুজ্জামান নোমানী খুন হওয়ায় এ বিশ্ববিদ্যালয়টি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়েছিল। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে হত্যাকাণ্ডের জের ধরে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয় নগরীর রাজশাহী কলেজ, মেডিকেল কলেজ, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নিউ ডিগ্রি কলেজ, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, সিটি কলেজ ও ভেটেরিনারি কলেজ। সংঘর্ষের ঘটনায় ৮ মার্চ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ছাত্রলীগ ও শিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় খুলনা বিএল কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয় সরকার দায়িত্ব নেয়ার আগের দিনই। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ তাদের পছন্দের ভিসির দাবিতে ১৭ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তাণ্ডব চালায়। ৪৭ ঘণ্টা তালাবদ্ধ করে রাখা হয় বিশ্ববিদ্যালয়।<br />
ক্ষমতাসীন হওয়ার পরপরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং নামকরা কলেজ দখলে নেয় ছাত্রলীগ। এ অবস্থায় অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগের একক আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। আর এ বিষয়টিই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের জন্য ‘কাল’ হয়ে দাঁড়ায়। সেসব প্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগই ছাত্রলীগের প্রতিপক্ষ হয়ে টেন্ডার ও চাঁদা নিয়ে আধিপত্য বিস্তারে নামে ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ২৭ জানুয়ারি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। প্রায় এক মাস পর বিশ্ববিদ্যালয়টি খোলা হয়। ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ১০ জানুয়ারি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয় খুলনা মেডিকেল কলেজ। ১৮ জানুয়ারি ও ১৬ ফেব্রুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের গোলাগুলি হয়। ৯ জানুয়ারি রাজধানীর ঢাকা কলেজে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে রাতভর সংঘর্ষ ও গোলাগুলি হয়। ১০ জানুয়ারি ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হামলায় খুলনা মেডিকেল কলেজের ১০ জন ছাত্র আহত হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য কলেজ বন্ধ ঘোষণা করে প্রশাসন। ১৪ জানুয়ারি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজেদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের জের ধরে ১৮ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ছাত্রলীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। নির্বাচনের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি হল ও ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে কয়েকদফা। ১৪ মার্চ তেজগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ৩০ জন আহত হয়।<br />
চাঁদা ও টেন্ডারবাজি : ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা তালিকা করে চাঁদাবাজি শুরু করে। তারা ৭/৮টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন স্থাপনায় হানা দেয়। কেন্দ্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার শীর্ষ নেতারা একত্রিত হয়ে হাকিম চত্বরে নির্মিতব্য ‘পার্সিয়ান কালচারাল সেন্টার’-এর ঠিকাদারের কাছে চাঁদা দাবি করে এবং চাঁদা না দেয়ায় নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মাজারের উন্নয়ন কাজে চাঁদা না পেয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়। টিএসসির ফুডকর্নার থেকে দু’দফায় ৩০ হাজার টাকা চাঁদা নেয় ছাত্রলীগ নেতারা। আরও চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ছাত্রলীগ নেতারা তদবির করে ভিসি ও কোষাধ্যক্ষের মাধ্যমে নোটিশ করিয়ে টিএসসি ফুডকর্নার বন্ধ করে দেয়।<br />
ভর্তি বাণিজ্য : ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের টাকা আয়ের অন্যতম উত্স ছিল বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অবৈধ ভর্তি বাণিজ্য। কোথাও দলীয় সমর্থক অধ্যক্ষদের অবৈধ সহযোগিতা, আবার কোথাও অস্ত্রের মুখে চাপ সৃষ্টি করে ছাত্রলীগ নেতারা রাজধানীসহ দেশের সরকারি কলেজগুলোতে ২০০৮-০৯ সেশনে অনার্স প্রথম বর্ষের ভর্তিতে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য করে। এক্ষেত্রে সরকারও তাদের সহযোগিতা করে। রাজধানীর ইডেন, ঢাকা, তিতুমীর, কবি নজরুল, বদরুন্নেসা, সোহরাওয়ার্দী ও মিরপুর বাংলা কলেজে দু’সহস্রাধিক আসনে ছাত্রলীগ নেতারা টাকার বিনিময়ে ভর্তি করায়। অবৈধ ভর্তিতে রাজি না হওয়ায় ১৫ মার্চ ইডেন কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর সৈয়দা খায়রুন্নেসাকে ওএসডি এবং ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক সাইখুল ইসলামকে যশোর এমএম কলেজে বদলি করা হয়।<br />
জাবিতে অর্ধশত সংঘর্ষ : ক্ষমতার প্রথম বছরে ছাত্রলীগ সবচেয়ে বেশি উচ্ছৃঙ্খলতা ছড়িয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। এক বছরে ছাত্রলীগের মধ্যে প্রায় অর্ধশত হামলা-সংঘর্ষ হয় এ ক্যাম্পাসে। এতে গুলিবিদ্ধ হয় কমপক্ষে ১৫ জন। আহত দেড় শতাধিক, গ্রেফতার ১০ ও বহিষ্কার হয় ১৫ জন।<br />
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার গঠন করার পর সভাপতি-সেক্রেটারি (সোহেল-জনি) গ্রুপের নেতাকর্মীরা এক বছর বাইরে অবস্থানের পর ১৪ জানুয়ারি ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। এ সময় সোহেল-জনি গ্রুপ এবং আজিবুর-অয়ন গ্রুপের মধ্যে কয়েক দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এসময় তাদের মধ্যে প্রকাশ্যে গোলাগুলির ঘটনাও ঘটে। চারদিন ধরে সংঘর্ষ চলতে থাকে। এসময় বিপুলসংখ্যক আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়। এতে ৫ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয় কমপক্ষে ৫০ শিক্ষার্থী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি প্রথমে জাবি ছাত্রলীগের কার্যক্রম এক মাস স্থগিত করে এবং পরে ক্যাম্পাসে সংগঠনটির পুরো রাজনৈতিক কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।<br />
২৬ ফেব্রুয়ারি মওলানা ভাসানী হল থেকে ৩টি রিভলবার ও একটি পাইপগান উদ্ধার করে পুলিশ। শেখ মুজিবুর রহমান হল ও মওলানা ভাসানী হল ও বিশমাইল এলাকা থেকে ১১টি তাজা ককটেল উদ্ধার করে আশুলিয়া থানা পুলিশ। ৩ মার্চ মীর মশাররফ হোসেন হল ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত হয় ২০ শিক্ষার্থী। এসময় হলে গণডাকাতির দায়ে ৬ ছাত্রলীগ কর্মীকে গ্রেফতার করে জামিনে মুক্তি দেয়া হয়। সংঘর্ষে জড়িত ৬ ছাত্রলীগ কর্মীকে ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়। ১৫ ও ১৯ মার্চ মওলানা ভাসানী ও শহীদ সালাম বরকত হলের ১০ ছাত্রকে শিবির সন্দেহে ব্যাপক মারধর করে ছাত্রলীগ কর্মীরা।<br />
১৯ ও ২০ এপ্রিল মীর মশাররফ হোসেন হল ও মওলানা ভাসানী হলের মধ্যে দুটি সংঘর্ষে ৭-৮ জন নেতাকর্মী আহত হয়। ২৬ এপ্রিল পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে আল বেরুনী হলের ছাত্রলীগ কর্মীরা ২ সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করে।<br />
ক্যাম্পাসে শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত করার অপরাধে ৪ জুলাই কর্তৃপক্ষ চার ছাত্রলীগ নেতার ক্যাম্পাসে যাতায়াতের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।<br />
৩ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলের বাইরে অবস্থানকারী ছাত্রলীগের রিগান-পলাশ গ্রুপের নেতাকর্মীরা হলে অবস্থানকারী সাধারণ শিক্ষার্থীসহ প্রিতম-সাব্বির গ্রুপের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এতে ২৫ জন আহত হয়। গুরুতর আহত তন্ময় খান বাদী হয়ে সাভার থানায় ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে। ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ ছাত্রলীগ কর্মীকে ৬ মাসের জন্য সাময়িক বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।<br />
১ বছরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ২০০ দিন : মহাজোট সরকারের প্রথম বছরে ছাত্রলীগের উচ্ছৃঙ্খলতায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকে প্রায় ২০০ দিন। আওয়ামী লীগের স্থানীয় দুই এমপির সহযোগিতায় ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ এবং ছাত্রশিবিরের মধ্যে বার বার সংঘাত-সংঘর্ষ হয়। বন্ধ হয় ক্যাম্পাস। এতে এক বছরে বিভিন্ন বিভাগে শেষ হয়েছে মাত্র এক সেমিস্টার। রাজনীতিমুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্তবুদ্ধি চর্চার নামে রাজনীতি চর্চা শুরু করায় বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের এই ভোগান্তি।<br />
গত ২৮ এপ্রিল নবীনবরণকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সদর আসনের এমপি হাজী বাহার সমর্থিত ছাত্রলীগের শহর গ্রুপ এবং স্থানীয় আসনের এমপি নাসিমুল আলম চৌধুরী সমর্থিত ছাত্রলীগের স্থানীয় গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পরিণতিতে ১৫ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকে ক্যাম্পাস। পরে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ৩১ আগস্ট থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত ক্যাম্পাস বন্ধ থাকে। ৩৩ দিন পর ৪ অক্টোবর ক্যাম্পাস খোলার প্রথম দিনেই ভিসির পদত্যাগ দাবিতে প্রশাসন ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেয় ছাত্রলীগের স্থানীয় গ্রুপ। এরপর ভর্তি সংক্রান্ত বিষয়ে শিক্ষকদের ধর্মঘট, হল দখলকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ-শিবিরের সংঘর্ষ, ভিসি অপসারণের আন্দোলনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বার বার বন্ধ থাকার দীর্ঘ ৮০ দিন পর গত ২৭ ডিসেম্বর ক্যাম্পাস খুলে দেয়া হয়।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.campusmirror.com/top-news/%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a7%9c%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>জনসংখ্যার শর্ত বাদ, বদলাবে জনবল কাঠামো শিক্ষার্থী, পরীক্ষার্থী ও ফল বিবেচনায় এমপিওভুক্ত হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান</title>
		<link>http://www.campusmirror.com/exclusive-news/%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%ac%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ac/</link>
		<comments>http://www.campusmirror.com/exclusive-news/%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%ac%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ac/#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 06 Jan 2010 01:46:04 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[Exclusive News]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.campusmirror.com/?p=1088</guid>
		<description><![CDATA[<p>চারটি সূচক বা মানদণ্ড বিবেচনা করে অপেক্ষমাণ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বেতন-ভাতার সরকারি অংশ (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার-এমপিও) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এগুলো হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতির তারিখ, শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবং ফলাফল। এসব সূচকের ভিত্তিতে বিদ্যমান এমপিও বাতিল এবং স্থগিত করা হবে।<br />
বেসরকারি&#8230;</p>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>চারটি সূচক বা মানদণ্ড বিবেচনা করে অপেক্ষমাণ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বেতন-ভাতার সরকারি অংশ (মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার-এমপিও) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এগুলো হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতির তারিখ, শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবং ফলাফল। এসব সূচকের ভিত্তিতে বিদ্যমান এমপিও বাতিল এবং স্থগিত করা হবে।<br />
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতার সরকারি অংশ প্রদান এবং জনবল কাঠামো সম্পর্কিত নতুন নীতিমালায় এ কথা বলা হয়েছে। এ বিষয়ে গঠিত সরকারের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গত রোববার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে নীতিমালার খসড়া জমা দেয়। গতকাল মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে নীতিমালাটি অনুমোদন করা হয়।<br />
এমপিওসংক্রান্ত নীতিমালায় শর্ত পূরণে ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানকে প্রথম বছর সতর্কতামূলক চিঠি দেওয়া, ধারাবাহিকভাবে শর্ত পূরণে ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানকে দ্বিতীয় বছর ২৫ শতাংশ এমপিও কর্তন ও তৃতীয় বছর ৫০ শতাংশ এমপিও কর্তনের বিধান রাখা হয়েছে। শর্ত পূরণে ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানের এমপিও চতুর্থ বছর সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখা হবে।<br />
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, এই মুহূর্তে এমপিওভুক্তির অপেক্ষায় আছে নয় হাজার ১৩১টি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা। এগুলোর মধ্যে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এক হাজার ৩৫৪টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয় দুই হাজার ৬৯৮টি, দাখিল স্তরের প্রতিষ্ঠান এক হাজার ৭০৬টি এবং উচ্চমাধ্যমিক কলেজ ৫৮৬টি। এগুলোর বাইরে বিভিন্ন স্তরের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।<br />
জানা যায়, গত প্রায় অর্ধযুগ এমপিও বন্ধ থাকায় এই সুযোগপ্রত্যাশী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে গেছে। কিন্তু শিক্ষা বাজেটে এমপিও খাতে বরাদ্দ চাহিদার তুলনায় খুবই কম। এ কারণে সরকার ক্ষমতায় এসে এ সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়।<br />
নতুন নীতিমালায় এমপিওভুক্তির মানদণ্ড ঠিক করতে মোট ১০০ নম্বর বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এতে একাডেমিক স্বীকৃতির জন্য ২৫, শিক্ষার্থীর সংখ্যার জন্য ২৫, পরীক্ষার্থীর সংখ্যার জন্য ২৫ এবং পরীক্ষায় উত্তীর্ণের হারের জন্য<br />
২৫ নম্বর রাখা হয়েছে। এর মধ্যে স্বীকৃতির তারিখের ক্ষেত্রে প্রতি দুই বছরের জন্য ৫, ১০ বা তদূর্ধ্ব হলে ২৫ নম্বর পাওয়া যাবে। শিক্ষার্থীর সংখ্যার ক্ষেত্রে কাম্য সংখ্যার জন্য ১৫, কাম্য সংখ্যার পরবর্তী প্রতি ১০ শতাংশ বৃদ্ধির জন্য ৫ নম্বর বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পরীক্ষার্থীর সংখ্যার ক্ষেত্রে কাম্য সংখ্যার জন্য ১৫ এবং পরবর্তী প্রতি ১০ জনে ৫ নম্বর পাওয়া যাবে। আর ফলাফলের হারের ক্ষেত্রে কাম্য হার অর্জনের জন্য ১৫ এবং পরবর্তী ১০ শতাংশের জন্য ৫ নম্বর পাওয়া যাবে। এরপর প্রাপ্ত সর্বমোট নম্বরের ভিত্তিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্ত করা হবে।<br />
জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা এবং এমপিও নীতিমালা সম্পর্কিত কমিটির প্রধান আলাউদ্দীন আহম্মেদ বলেন, তাঁরা সর্বজন গ্রহণযোগ্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করেছেন। শিক্ষার মানোন্নয়নের কথা বিবেচনা করে অন্য কোনো দৃষ্টিভঙ্গি মাথায় না রেখে কিছু শর্ত বা সূচক অনুসরণের কথা তাঁরা নীতিমালায় বলেছেন। এর ফলে এমপিওভুক্তি নিয়ে ভবিষ্যতে প্রশ্ন উঠবে না এবং যোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারের আর্থিক আনুকূল্য পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।<br />
নীতিমালা অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতিটি এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কাজের বার্ষিক মূল্যায়নের (এসিআর) ব্যবস্থা করবে সরকার। পাশাপাশি শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে কর্মকমিশনের মতো একটি কমিশনও গঠন করা হবে। এ ছাড়া এমপিওভুক্তির জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচনের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক সামঞ্জস্যতা রক্ষার কথা বলা আছে এই নীতিমালায়। পাশাপাশি শিক্ষায় অনগ্রসর, ভৌগোলিকভাবে অসুবিধাজনক, পাহাড়ি এলাকা, হাওর-বাঁওড়, চরাঞ্চল, নারী শিক্ষা, সামাজিকভাবে অনগ্রসর গোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী, বিশেষায়িত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বিশেষ জাতীয় বিবেচনায় শর্ত শিথিল করার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।<br />
এত দিন কামিল মাদ্রাসার (স্নাতকোত্তর পর্যায়ের) শিক্ষকদের এমপিও দেওয়া হলেও সাধারণ শিক্ষায় স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর কোর্সে পাঠদানকারী শিক্ষকদের এমপিও ছিল না। নতুন নীতিমালায় স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর পাঠদানকারী কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় কলেজকে পর্যায়ক্রমে এমপিওর আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।<br />
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করলে তিন মাস পরই এমপিও বাতিল হয়ে যায়। বিষয়টি অমানবিক চিহ্নিত করে নতুন নীতিমালায় চাকরির বিরতিকাল অনূর্ধ্ব দুই বছর রাখা হয়েছে। বিদ্যমান নীতিমালায় শিক্ষার্থীর আধিক্য থাকলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো অতিরিক্ত শাখা (সেকশন) খুলতে পারে না। কিন্তু নতুন নীতিমালা অনুযায়ী শাখা খোলা যাবে। তবে এ ক্ষেত্রে শহরের প্রতিষ্ঠান প্রাধান্য পাবে।<br />
নতুন নীতিমালায় সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও কর্মচারী বাড়ানো যাবে। ’৯৫-এর জনবল কাঠামো অনুযায়ী এত দিন নিম্নমাধ্যমিক স্কুলে পাঁচজন শিক্ষক ও তিনজন কর্মচারী রাখা যেত। কিন্তু এখন থেকে আটজন শিক্ষক রাখা যাবে। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১২ জন শিক্ষক ও চারজন কর্মচারী রাখার বিধান আছে বিদ্যমান নীতিমালায়। কিন্তু নতুন নীতিমালায় ১৫ জন শিক্ষক আর পাঁচজন কর্মচারী রাখা যাবে। অন্যদিকে বিদ্যমান নীতিমালার পরিবর্তে নতুন নীতিমালা অনুযায়ী উচ্চমাধ্যমিক কলেজে জনবল চারজন, ডিগ্রি কলেজে ১২ জন, দাখিল মাদ্রায় পাঁচজন, আলিম মাদ্রাসায় ১২ জন ও ফাজিল মাদ্রাসায় সাতজন বাড়ানো যাবে। এত দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গ্রন্থাগারিকের কোনো পদ না থাকলেও নতুন নীতিমালায় সহকারী গ্রন্থাগারিক রাখার কথা বলা হয়েছে।<br />
পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের ক্ষেত্রে শর্তাবলির অন্যতম জনসংখ্যার বিষয়টিকে অপ্রাসঙ্গিক মনে করে এটি তুলে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে নতুন প্রতিষ্ঠান করতে জনসংখ্যা কোনো শর্ত হিসেবে বিবেচিত হবে না। এত দিন প্রতি ১০ হাজার জনগণের জন্য একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করা যেত।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.campusmirror.com/exclusive-news/%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%96%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%ac%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>রাবিতে ছাত্রলীগ-শিবিরের মহড়ায় উত্তপ্ত ক্যাম্পাস</title>
		<link>http://www.campusmirror.com/top-news/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0/</link>
		<comments>http://www.campusmirror.com/top-news/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 02 Jan 2010 12:33:06 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[Top News]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.campusmirror.com/?p=1085</guid>
		<description><![CDATA[<p><img src="http://www.campusmirror.com/wp-content/uploads/2010/01/RU-150x150.gif" alt="RU" title="RU" width="150" height="150" class="alignleft size-thumbnail wp-image-1086" />ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর জারি থাকা নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ ও ছাত্রশিবির কর্মীরা শনিবার ক্যাম্পাসে মহড়ায় দিয়েছে। উভয় দলের পাল্টাপাল্টি মহড়ায় পুরো ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় শিবিরের মহড়ায় বাধা দিতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর লাঞ্ছিত হন।&#8230;</p>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="http://www.campusmirror.com/wp-content/uploads/2010/01/RU-150x150.gif" alt="RU" title="RU" width="150" height="150" class="alignleft size-thumbnail wp-image-1086" />ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর জারি থাকা নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ ও ছাত্রশিবির কর্মীরা শনিবার ক্যাম্পাসে মহড়ায় দিয়েছে। উভয় দলের পাল্টাপাল্টি মহড়ায় পুরো ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় শিবিরের মহড়ায় বাধা দিতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর লাঞ্ছিত হন। ছাত্রলীগের আসন্ন কাউন্সিলকে সামনে রেখে পদপ্রার্থী নেতারা তাদের নিজ নিজ গ্রুপ নিয়ে ক্যাস্পাসে মহড়া দেয় এবং এরই পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রলীগের এক নেতাকে বহিষ্কারও করা হয়েছে বলে জানা গেছে।<br />
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আসন্ন রাবি শাখা ছাত্রলীগের কাউন্সিলকে সামনে রেখে ছাত্রলীগ নেতা আহমেদ, এরশাদ, উজ্জ্বল, মুরাদসহ আরো কয়েকটি গ্রুপ শনিবার সকাল ১১টা থেকেই ক্যাম্পাসে পৃথক মহড়া দিতে শুরু করে।<br />
এদিকে দুপুর ১টার দিকে রাবি শাখা শিবির সভাপতি শামসুল আলম গোলাপের নেতৃত্বে শিবির নেতাকর্মীরাও ক্যাম্পাসে পাল্টা মহড়া দিতে শুরু করে। এ সময় পুরো ক্যাম্পাসে আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। শিবিরের মহড়াটি ডিনস্ কমপ্লেক্সের সামনে এলে প্রক্টর চৌধুরী মোহাম্মদ জাকারিয়া ও সহকারী প্রক্টর মুসতাক আহমেদ তাদের মহড়া দিতে নিষেধ করেন। এতে ছাত্রশিবির ক্যাডারাদের সাথে প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরদের কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরে প্রক্টর দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। এ ঘটনায় ছাত্রলীগের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।<br />
এদিকে অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়াতে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।<br />
প্রক্টর প্রফেসর ড. জাকারিয়া বলেন, নিষেধাজ্ঞা ভেঙে মহড়া দেয়ার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.campusmirror.com/top-news/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>রাবির শামসুজ্জোহা হল থেকে বিপুল পরিমাণ জিহাদী বই উদ্ধার!</title>
		<link>http://www.campusmirror.com/news/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%be-%e0%a6%b9%e0%a6%b2-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95/</link>
		<comments>http://www.campusmirror.com/news/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%be-%e0%a6%b9%e0%a6%b2-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 27 Dec 2009 13:00:58 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[News]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.campusmirror.com/?p=1083</guid>
		<description><![CDATA[<p>রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হল থেকে শনিবার রাতে বিপুল পরিমাণ জিহাদী বই উদ্ধার করা হয়েছে। বইগুলোতে আর্ন্তজাতিক ইসলামী সংগঠন ওয়ার্ল্ড এ্যাসেম্বলী অব মুসলিম ইয়ুথ এর (ওয়ামী) সিল ছিলো বলে জানা গেছে। ছাত্রশিবির নিয়ন্ত্রিত পাঠাগার থেকে রাত ৯ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়&#8230;</p>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হল থেকে শনিবার রাতে বিপুল পরিমাণ জিহাদী বই উদ্ধার করা হয়েছে। বইগুলোতে আর্ন্তজাতিক ইসলামী সংগঠন ওয়ার্ল্ড এ্যাসেম্বলী অব মুসলিম ইয়ুথ এর (ওয়ামী) সিল ছিলো বলে জানা গেছে। ছাত্রশিবির নিয়ন্ত্রিত পাঠাগার থেকে রাত ৯ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ও পুলিশের উপস্থিতিতে পাঁচশ বই উদ্ধার করা হয়।</p>
<p>জোহা হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা জানান, হলে একটি সাধারণ পাঠাগার থাকলেও জোট সরকারের আমলে জামায়াতপন্থী হল প্রাধ্যক্ষ ড. বেলাল হোসেনের সময়ে শিবির কর্মীরা হলের একটি কক্ষকে ওয়ামী পাঠাগার নামকরণ করে সেখানে এই বিপুল পরিমাণ বই-পুস্তক জড়ো করে এবং ওয়ামীর কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করে। বর্তমান প্রাধ্যক্ষ ড. মর্ত্তুজা খালেদের যোগদানের পর থেকে ওই পাঠাগারটি বন্ধ থাকে।</p>
<p>শনিবার শিক্ষার্থীরা পাঠাগার চালু ও পর্যাপ্ত বই সরবরাহসহ ১১ দফা দাবিতে প্রাধ্যক্ষকে স্মারকলিপি প্রদান দেয়। সন্ধ্যা ৮টার দিকে হল প্রশাসন নিচ তলার কক্ষটির তালা খুলে বিপুল পরিমাণ জিহাদী বই দেখে প্রক্টরকে অবহিত করে। পরে প্রক্টর এবং মতিহার থানার ওসির উপস্থিতিতে বইগুলো উদ্ধার করে প্রক্টরের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।</p>
<p>পাঠাগার থেকে সাইয়েদ আবুল আলাওয়াল মওদুদীর লেখা ইসলামী রেঁনেসা আন্দোলন, ইসলামী সমাজ বিপ্লবের ধারা, মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের লেখা আধুনিক যুগে ইসলামী বিপ্লব, মিশরের লেখক আব্দুল বাদী শাকারের আমরা দাওয়াতের কাজ কিভাবে করবসহ বিভিন্ন লেখকের প্রায় পাঁচ শতাধিক বই উদ্ধার করা হয়। বইগুলোতে ওয়ামী বাংলাদেশ শাখার সিলযুক্ত রয়েছে।</p>
<p>হল প্রাধ্যক্ষ ড. মর্ত্তুজা খালেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। প্রক্টর ড. চৌধুরী মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, বইগুলোর অধিকাংশই জিহাদী বই। তিনি আরো বলেন, আবাসিক হলে কোন সংগঠনের নামে কক্ষ ব্যবহারের কিংবা পাঠাগার তৈরীর অনুমতি নেই। তবুও কেন এমনটি করা হলো সে বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।</p>
<p>এ ব্যাপারে জোহা হল শাখা শিবিরের সভাপতি মুজাহিদের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.campusmirror.com/news/%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%8b%e0%a6%b9%e0%a6%be-%e0%a6%b9%e0%a6%b2-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ছাত্রী উত্যক্তের জের ধরে জাবি ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া</title>
		<link>http://www.campusmirror.com/news/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%87/</link>
		<comments>http://www.campusmirror.com/news/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%87/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 27 Dec 2009 12:57:29 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[News]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.campusmirror.com/?p=1081</guid>
		<description><![CDATA[<p>ছাত্রী উত্যক্তের জের ধরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে আবারো ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হল ও মওলানা ভাসানী হলের ছাত্রলীগের মধ্যে মেহের চত্ত্বর ও ডেইরি গেটে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত&#8230;</p>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>ছাত্রী উত্যক্তের জের ধরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে আবারো ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হল ও মওলানা ভাসানী হলের ছাত্রলীগের মধ্যে মেহের চত্ত্বর ও ডেইরি গেটে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকরা ছবি তুলতে গেলে বাধা দেয় ছাত্রলীগ ক্যাডাররা।</p>
<p>জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের মওলানা ভাসানী হলের ছাত্রলীগের জুনিয়র কর্মী শিশির, বিজু, শাকিল(৩৮তম ব্যাচ) বহিরাগত ক্যাডার কিশোরকে নিয়ে মেহের চত্ত্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে উত্যক্ত করে। এ সময় একই বিভাগের মীর মশাররফ হোসেন হলের ছাত্রলীগ কর্মী তানভীর, মনোয়ার, নিজাম ও শাহিন বাধা দেয় এবং ওই বহিরাগতকে চড়-থাপ্পর দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়। পরে খবর পেয়ে ভাসানী হলের ছাত্রলীগকর্মীরা ডেইরীগেটে মীর মশাররফ হোসেন হলের ছাত্রলীগকর্মীদের ধাওয়া করে। এ ঘটনার ছবি তুলতে গেলে ভাসানী হলের ছাত্রলীগকর্মী শাকিল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের বাধা দেয়। এ সময় সাংবাদিকদের সাথে ভাসানী হলের উচ্ছৃঙ্খল কর্মীদের বাগ্ব-বিতন্ডা হয়।</p>
<p>এ ব্যাপারে মীর মশাররফ হোসেন হলের ছাত্রলীগ নেতা জাফর বিন রশিদ প্রিতম বলেন, ভাসানী হলের ছাত্রলীগনামধারী কতিপয় ব্যক্তি বহিরাগত সন্ত্রাসীদের নিয়ে ক্যাম্পাসে নানা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাচ্ছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয় ও ছাত্রলীগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে তিনি জানান।</p>
<p>এ ব্যাপারে ভাসানী হলের ছাত্রলীগ নেতা আজগর ছাত্রী উত্যক্তের ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, মীর মশাররফ হোসেন হলের ছাত্রলীগ পরিকল্পিতভাবে ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার জন্য প্রতিনিয়ত এসব কর্মকান্ড করে যাচ্ছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.campusmirror.com/news/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80-%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>জবির ক, খ ও গ ইউনিটের সাক্ষাৎকার ৪ জানুয়ারি শুরু</title>
		<link>http://www.campusmirror.com/top-news/%e0%a6%9c%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%95-%e0%a6%96-%e0%a6%93-%e0%a6%97-%e0%a6%87%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be/</link>
		<comments>http://www.campusmirror.com/top-news/%e0%a6%9c%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%95-%e0%a6%96-%e0%a6%93-%e0%a6%97-%e0%a6%87%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 27 Dec 2009 12:56:13 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[Top News]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.campusmirror.com/?p=1078</guid>
		<description><![CDATA[<p><img src="http://www.campusmirror.com/wp-content/uploads/2009/12/ju-pic-150x150.jpg" alt="ju pic" title="ju pic" width="150" height="150" class="alignleft size-thumbnail wp-image-1079" />জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০০৯-১০ শিক্ষা বর্ষের ক, খ ও গ ইউনিটের প্রথমবর্ষ সম্মান শ্রেণী ভর্তি পরীক্ষার সাক্ষাৎকার গ্রহণ আগামী ৪ জানুয়ারি শুরু হবে। জবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ একথা জানানো হয়।বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ক-ইউনিটের প্রাথমিক বাছাইয়ে নির্বাচিত পরীক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার আগামী ৪&#8230;</p>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="http://www.campusmirror.com/wp-content/uploads/2009/12/ju-pic-150x150.jpg" alt="ju pic" title="ju pic" width="150" height="150" class="alignleft size-thumbnail wp-image-1079" />জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০০৯-১০ শিক্ষা বর্ষের ক, খ ও গ ইউনিটের প্রথমবর্ষ সম্মান শ্রেণী ভর্তি পরীক্ষার সাক্ষাৎকার গ্রহণ আগামী ৪ জানুয়ারি শুরু হবে। জবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ একথা জানানো হয়।বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ক-ইউনিটের প্রাথমিক বাছাইয়ে নির্বাচিত পরীক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার আগামী ৪ জানুয়ারি মেধাক্রম ১ থেকে ৩০০ পর্যন্ত, ৫ জানুয়ারি মেধাক্রম ৩০১ থেকে ৬০০, ৬ জানুয়ারি মেধাক্রম ৬০১ থেকে ৯০০ পর্যন্ত, ৭ জানুয়ারি মেধাক্রম ৯০১ থেকে ১২০০ পর্যন্ত এবং ৯ জানুয়ারি মেধাক্রম ১২০১ থেকে ১৫০০ পর্যন্ত সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে।<br />
কলা অনুষদভুক্ত খ ইউনিটে প্রাথমিক বাছাইয়ের নির্বাচিত পরীক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার ৪ জানুয়ারি মেধাক্রম ১ থেকে ৩০০ পর্যন্ত, ৫ জানুয়ারি মেধাক্রম ৩০১ থেকে ৬০০ পর্যন্ত, ৬ জানুয়ারি মেধাক্রম ৬০১ থেকে ৯০০ পর্যন্ত, ৭ জানুয়ারি মেধাক্রম ৯০১ থেকে ১২০০ পর্যন্ত, ৯ জানুয়ারি মেধাক্রম ১২০১ থেকে ১৪৫০ পর্যন্ত, ১০ জানুয়ারি মেধাক্রম ১৪৫১ থেকে ১৬৫০ পর্যন্ত, ১১ জানুয়ারি মেধাক্রম ১৬৫১ থেকে ১৮৫০ পর্যন্ত এবং ১২ জানুয়ারি মেধাক্রম ১৮৫১ থেকে ১৯৫০ পর্যন্ত সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে।</p>
<p>এদিকে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত গ ইউনিটে প্রাথমিক বাছাইয়ে নির্বাচিত পরীক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার ৪ জানুয়ারি মেধাক্রম ১ থেকে ৩০০ পর্যন্ত, ৫ জানুয়ারি মেধাক্রম ৩০১ থেকে ৬০০ পর্যন্ত, ৬ জানুয়ারি মেধাক্রম ৬০১ থেকে ৯০০ পর্যন্ত এবং ৭ জানুয়ারি মেধাক্রম ৯০১ থেকে ১১২২ পর্যন্ত সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে।</p>
<p>সাক্ষাৎকার গ্রহণ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডীন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।</p>
<p>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, সাক্ষাৎকার গ্রহণের সময় অবশ্যই ভর্তি পরীক্ষার মূল প্রবেশপত্র, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা পাসের মূল নম্বরপত্রসহ, পাসপোর্ট সাইজের ছবি সঙ্গে আনতে হবে। ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ডীন কার্যালয় হতে জানা যাবে।</p>
<p>এছাড়া মনোনয়নপত্র প্রাপ্তির ৩ কার্য দিবসের মধ্যে নির্দিষ্ট বিভাগ থেকে ভর্তি ফরম সংগ্রহ করে ভর্তির কাজ সম্পন্ন করতে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.campusmirror.com/top-news/%e0%a6%9c%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%95-%e0%a6%96-%e0%a6%93-%e0%a6%97-%e0%a6%87%e0%a6%89%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ছাত্রলীগ-শিবির সংঘর্ষে বগুড়া আযিযুল হক কলেজ রণক্ষেত্র : আহত ৫০</title>
		<link>http://www.campusmirror.com/top-news/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%ac/</link>
		<comments>http://www.campusmirror.com/top-news/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%ac/#comments</comments>
		<pubDate>Sun, 20 Dec 2009 10:09:10 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[Top News]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.campusmirror.com/?p=1075</guid>
		<description><![CDATA[<p><img src="http://www.campusmirror.com/wp-content/uploads/2009/12/126130047020091220.j-145x150.jpg" alt="126130047020091220.j" title="126130047020091220.j" width="145" height="150" class="alignleft size-thumbnail wp-image-1076" />বগুড়া সরকারি আযিযুল হক কলেজে ছাত্রলীগ-ছাত্রশিবির সংঘর্ষে পুরো ক্যাম্পাস রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, গুলি বর্ষণ, ককটেল বিস্ফোরণ ও ইট-পাথর নিক্ষেপে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষে দুইজন গুলিবিদ্ধসহ প্রায় ৫০ জন আহত হয়েছে। আহতদের বগুড়া শহীদ&#8230;</p>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><img src="http://www.campusmirror.com/wp-content/uploads/2009/12/126130047020091220.j-145x150.jpg" alt="126130047020091220.j" title="126130047020091220.j" width="145" height="150" class="alignleft size-thumbnail wp-image-1076" />বগুড়া সরকারি আযিযুল হক কলেজে ছাত্রলীগ-ছাত্রশিবির সংঘর্ষে পুরো ক্যাম্পাস রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, গুলি বর্ষণ, ককটেল বিস্ফোরণ ও ইট-পাথর নিক্ষেপে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষে দুইজন গুলিবিদ্ধসহ প্রায় ৫০ জন আহত হয়েছে। আহতদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল ও বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় পুলিশ অন্তত: ৫০ রাউন্ড কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।  জানা যায়, রোববার কলেজ ক্যাম্পাসে বেলা ১২টায় ছাত্রলীগ কলেজ শাখার উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে জড়িয়ে আমার দেশ পত্রিকায় মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি দেওয়া হয়। ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও আমার দেশ পত্রিকায় অগ্নিসংযোগ কর্মসূচি পালন শেষ করার মুহূর্তে ছাত্র শিবিরের উদ্যোগে মিছিল বের করা হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ বাঁধে।  শিক্ষার্থীরা জানায়, সংঘর্ষের সময় ছাত্রলীগ শিবিরকে ধাওয়া করলে তারা ক্যাম্পাস থেকে পার্শ্ববর্তী জামিল নগরে গিয়ে আশ্রয় নেয়। সেখান থেকে তারা সংগঠিত হয়ে পুণরায় এসে ছাত্রলীগকে ধাওয়া করে ক্যাম্পাস থেকে তাড়িয়ে দেয়। এ সময় উভয় পক্ষ লাঠি-সোটা, ধারালো অস্ত্র ও ইট-পাথর ছাড়াও আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক নিয়ে মহড়া শুরু করে। উভয় পক্ষের সংঘর্ষ চলাকালে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শুভাশীষ পোদ্দার লিটনসহ উভয় পক্ষের অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়।  প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শুরুতে কলেজ ক্যাম্পাসে কিছু পুলিশ থাকলেও সংঘর্ষের সময় তারা সেখান থেকে পেছনে সরে কামারগাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেয়। দ্বিতীয় দফায় যখন ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণ নেয় সে সময় পুলিশ অগ্রসর হয়ে ছাত্রশিবিরকে লক্ষ্য করে অন্তত: ৫০ রাউন্ড কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে।  ছাত্রলীগ কলেজ শাখার আহ্বায়ক মাহমুদুন্নবী রাসেল জানান, ছাত্র শিবির তাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশের ওপরে হামলা চালিয়ে অন্তত: ৩০ জন নেতাকর্মীকে আহত করেছে। তারা একের পর এক কলেজ ক্যাম্পাসে গুলি বর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ত্রাসের সৃষ্টি করে। তাদের হামলায় কলেজের শান্ত পরিবেশ নষ্ট হয়েছে।  ছাত্র শিবির কলেজ শাখার সেক্রেটারি হুসাইন মোহাম্মদ মানিক জানান, তারা কলেজ ক্যাম্পাসে যে মুহূর্তে মিছিল বের করে সে সময় অতর্কিতভাবে ছাত্রলীগ হামলা চালায়। এতে তাদের সংগঠনের অন্তত: ১৫/২০ জন আহত হয়।  বগুড়ার সহকারি পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) কাজেম উদ্দিন জানিয়েছেন, বেলা পৌণে ৩টা পর্যন্ত উভয় পক্ষই মারমুখী অবস্থানে রয়েছে। পুলিশ উভয় পক্ষের মাঝখানে অবস্থান নিয়েছে।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.campusmirror.com/top-news/%e0%a6%9b%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b2%e0%a7%80%e0%a6%97-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%98%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87-%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>ঢাবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচন ৩০ ডিসেম্বর : প্যানেল চূড়ান্ত, মনোনয়নপত্র জমা</title>
		<link>http://www.campusmirror.com/campus-news/%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac/</link>
		<comments>http://www.campusmirror.com/campus-news/%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac/#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 19 Dec 2009 13:42:15 +0000</pubDate>
		<dc:creator>admin</dc:creator>
				<category><![CDATA[Campus News]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.campusmirror.com/?p=1073</guid>
		<description><![CDATA[<p>বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার<br />
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক সমিতির নির্বাচনকে সামনে রেখে গতকাল (শনিবার) মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে আওয়ামীলীগও বাম সমর্থিত নীল এবং বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত সাদা দল। নির্বাচন কমিশনার প্রফেসর ডালেম চন্দ্র বর্মনের কাছে শিকরা তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।  আগামী ৩০ ডিসেম্বর শিক সমিতির এই&#8230;</p>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার<br />
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক সমিতির নির্বাচনকে সামনে রেখে গতকাল (শনিবার) মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে আওয়ামীলীগও বাম সমর্থিত নীল এবং বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত সাদা দল। নির্বাচন কমিশনার প্রফেসর ডালেম চন্দ্র বর্মনের কাছে শিকরা তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।  আগামী ৩০ ডিসেম্বর শিক সমিতির এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।<br />
নির্বাচনে নীলদলের প্রার্থীরা হলেন- সভাপতি পদে ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের শিক ও বর্তমান সভাপতি প্রফেসর খন্দকার বজলুল হক, সহ-সভাপতি পদে মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের প্রফেসর শহীদ আকতার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক পদে শিা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রফেসর অহিদুজ্জামান চান, ট্রেজারার পদে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক পদে গণিত বিভাগের ড. আব্দুস সামাদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এছাড়া সদস্যপদে প্রার্থীরা হলেন, জগন্নাথ হলের প্রভোস্ট প্রফেসর অজয় কুমার দাস, ইসলামের ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোঃ আখতারুজ্জামান, নীলদলের আহবায়ক প্রফেসর আনোয়ার হোসেন, ইংরেজী বিভাগের প্রফেসর ফকরুল আলম, ফার্মেসী বিভাগের প্রফেসর ফরিদা বেগম, ইংরেজী বিভাগের প্রফেসর সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম, ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি বিভাগের প্রফেসর মুবিনা খন্দকার, ইতিহাস বিভাগের প্রফেসর মেসবাহ কামাল, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর সাইফুল ইসলাম খান।<br />
সাদাদলের প্রার্থীরা হলেন- সভাপতি পদে বিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর তাজমেরী এসএ ইসলাম, সহ-সভাপতি পদে প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর সাইয়াদ সালেহীন কাদরী, সাধারণ সম্পাদক পদে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, ট্রেজারার পদে বাণিজ্য অনুষদের ডীন প্রফেসর আব্বাস আলী খান, যুগ্ম সম্পাদক কিনিক্যাল ফর্মেসী বিভাগের ড. আবুল হাসনাত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সদস্য পদে- কলা অনুষদের ডীন প্রফেসর সদরুল আমিন, অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর আবু আহমেদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ, বাণিজ্য অনুষদের সাবেক ডীন প্রফেসর সিরাজুল ইসলাম, ফার্মেসী অনুষদের সাবেক ডীন প্রফেসর চৌধুরী মাহমুদ হাসান, প্রযুক্তি অনুষদের ডীন প্রফেসর শাহিদা রফিক, প্রফেসর হরিপদ চন্দ্র ভট্টাচার্য, পরিসংখ্যান বিভাগের প্রফেসর লুৎফর রহমান, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের প্রফেসর মোঃ শফিউলাহ নির্বাচনে অংশ নিবেন।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.campusmirror.com/campus-news/%e0%a6%a2%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%bf-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac/feed/</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
